শুক্রবার ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আপনার এলাকার খবর
Advertise with us

দুর্ভোগের সড়কে ফিরে পেয়েছে স্বস্তির হাঁসি

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৪৮ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

দুর্ভোগের সড়কে ফিরে পেয়েছে স্বস্তির হাঁসি

ছবি: কিশোরগঞ্জ পোস্ট ২৪

সড়ক ও জনপদ বিভাগ (সওজ) কিশোরগঞ্জ এর উন্নয়নে দুর্ভোগের সড়ক নির্মাণে পৌরবাসীসহ ১৩টি উপজেলার মানুষ ফিরে পেয়েছে স্বস্তির হাঁসি। গত দুই বছর আগের খানাখন্দ ও সরু রাস্তা প্রসস্ত হওয়ায় পৌরবাসীসহ জেলার অনেক মানুষের চলাচলে যেন সড়কের বেহাল দশা থেকে মুক্ত করেছে। দু’বছর আগেও যেখানে সতাল থেকে একরামপুর দীর্ঘযানজট আর খানাখন্দ পেরিয়ে আসতে আধাঘন্টা বা তার বেশি সময় লাগতো; সেখানে যেন এক নিমিশেই পৌছে যায় সিএনজি, অটোসিক্সা ও ডিস্ট্রিক গাড়ির মতো বড় বড় যানবাহন। হাওরের মানুষ যাতে নির্বিঘেœ কিশোরগঞ্জ শহরে যাতায়াত করতে পারে সে ক্ষেত্রে পৌরসভাসহ উপজেলার বাইপাস সড়কসহ অনেক সড়কের কাজ সমাপ্ত করেছে সড়ক বিভাগ। এতে সড়ক বিভাগের উন্নয়নে স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ মানুষের।

সড়ক ও জনপদ বিভাগ, কিশোরগঞ্জ সূত্রে জানাযায়, দীর্ঘদিনের যানজট ভোগান্তি লাঘব করতে মেসার্স তাহের ব্রাদার্স, মেসার্স রানা বিল্ডার্স ও মেসার্স মুজাহার এন্টারপ্রাইজ নামের তিন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের আওতায় ২০১৯ সালের অক্টোবরে ৭৩১ কোটি ৩১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা ব্যায় শুরু হয় একরামপুর থেকে চামড়া বন্দর ও ছয়না বাইপাস সড়কসহ মোট ২৭.৩ কিলোমিটার প্রকল্পের নির্মাণ কাজ। এর মধ্যে ছয়না থেকে চৌদ্দশত পর্যন্ত সাড়ে ৭ কিলোমিটার এবং একরামপুর থেকে সতাল পর্যন্ত ১কিলোমিটার রাস্তার কাজ সমাপ্ত হয়েছে।

অন্যদিকে কিশোরগঞ্জ-নিকলী মহাসড়কের সিদ্ধেশ্বরী মন্দির থেকে সৈয়দ নজরুল মেডিকেল কলেজ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্থ ১কিলোমিটার সড়কের মধ্যে সিদ্ধেস্বরী মন্দির ও সৈয়দ মেডিকেলের সামনে অধিকতর ক্ষতিগ্রস্থ ৪০০ মিটার সড়ক রিজিভ পেভমেন্টের আওতায় নির্মাণ করা হয়। এর ব্যায় ধরা হয় ১কোটি ৮০ লক্ষ টাকা। তৃতীয় ধাপে বিন্নাটি থেকে কাপাসিয়ার আগ পর্যন্ত ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং ও মইন উদ্দিন বাশি ঠিকাদারের আওতায় ৭শত ২০ কোটি ৯৬ লক্ষ টাকা ব্যায় ২৪ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে ২ কিলোমিটার বাইপাস সড়কের কাজ সমাপ্ত এবং পাকুনিন্দয়া উপজেলার কোদালিয়া এলাকায় ২কিলোমিটার ও সদর উপজেলা বিন্নাটিতে ১কিলোমিটার বাইপাস সড়কের নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করা হয়।

এ ব্যাপারে পৌর শহরের ইসমাইল নামের এক ব্যাক্তিসহ আরো অনেকে বলেন, আমরা এই রাস্তা দিয়ে প্রতিনিয়ত চলাফেরা করি। গত দুই বছর আগেও এই রাস্তা এক দিকে যেমন সরু ও অন্যদিকে ভাঙ্গা-খানাখন্দে একাকার ছিল। রাস্তায় চলাচল করলে অনেক সময় অটো উল্টে যেত। আগে সৈয়দ নজরুলে রোগী নিয়ে হাসপাতালে গেলে অনেক সময় রাস্তায়ই মারা যেত। বিশেষ করে গর্ভবর্তী মহিলাদের ক্ষেত্রে খুবই অসুবিধা হতো। মেডিকেলের সামনের রাস্তাটি হওয়ায় আমাদের চলাচলে খুবই উপকার হবে।

এবার সড়ক বিভাগ একরামপুর থেকে সতাল পর্যন্ত এই রাস্তাটি নির্মাণ করায় আমরা চলাফেরায় স্বস্তিবোধ করি।

মোজাম্মেল নামের এক সিএনজি চালক বলেন, আমরা একরামপুর থেকে চামড়াঘাট পর্যন্ত প্রতিদিন সিএনজি চালাই। একরামপুরে আগে যে রাস্তা ছিলো সেটি এখন থাকলে আমাদের দুর্ভোগের আর সীমা থাকতো না। এখন এই রাস্তাটি নির্মাণ হওয়ায় আমরা অনেক আনন্দিত।

এ বিষয় সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শাকিল মো: ফয়সাল বলেন, কিশোরগঞ্জ, করিমগঞ্জ, চামড়াঘাট জেলা মহাসড়কে চলমান উন্নয়নের আওতায় ১ কিলোমিটার সড়ক রিজিভ পেভমেন্টের আওতায় নির্মাণ করা হয়েছে। সড়কটির অবস্থা খুবই নাজুক ছিলো। বর্তমানে সব ধরণের যানবাহন চলমান আছে। এছাড়াও ছয়না ও বিন্নাটি এবং পাকুন্দিয়ার কোদালিয়া এলাকায় ১ কিলোমিটার বাইপাস সড়কের কাজ সম্পন্ন করেছি। এবং কিছু সড়কে আমাদের রিপেয়ারিংয়ের কাজ চলছে। সব মিলিয়ে চেষ্টা করি ভাল কিছু করার। যাতে মানুষ নির্বিঘেœ চলাচল করতে পারে।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনিরবি
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০৩১ 

ফলো করুন Kishoreganj Post 24-এর খবর

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি
মো. জাভেদ ইকবাল
সম্পাদক ও প্রকাশক
মো. ইমরান হোসেন
ঠিকানা

এই ওয়েবসাইট থেকে লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা দণ্ডনীয় অপরাধ