মঙ্গলবার ৩০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আপনার এলাকার খবর
Advertise with us

খোলা তালাকের পর পুনরায় সংসার করা যাবে?

ডেস্ক রিপোর্ট   |   মঙ্গলবার, ০১ জুলাই ২০২৫   |   প্রিন্ট   |   ৫০১ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

খোলা তালাকের পর পুনরায় সংসার করা যাবে?

প্রশ্ন: পারিবারিক কারণে স্বামী-স্ত্রীর খোলা তালাক হয়, তাহলে কি আবার দু’জনে বিয়ে করে সংসার করা যাবে?

উত্তর: খোলা তালাকের কারণে এক তালাক বায়িন সাব্যস্ত হয়। হাদিস শরিফে এসেছে, ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সা. খোলাকে এক তালাকে বায়িন সাব্যস্ত করেছেন। (সুনানে দারাকুতনী ৪০২৫, মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা ১৮৪৪৮ আসসুনানুল কুবরা লিলবায়হাকী ১৪৮৬৫)

সুতরাং খোলা তালাকের পর স্বামী-স্ত্রী যদি পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে চান এবং তালাকনামায় যদি তিন তালাকের উল্লেখ না থাকে; বরং এক তালাক কিংবা দুই তালাকের উল্লেখ থাকে তাহলে নতুন মোহরের সঙ্গে নতুন করে পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবেন। (কিতাবুল ফাতাওয়া ৫/১২৯, ১৩০)

আর যদি ওই তালাকনামায় তিন তালাকের উল্লেখ থাকে তাহলে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে পুনরায় একসঙ্গে বসবাস করতে চাইলে স্ত্রীর ইদ্দত অতিবাহিত হওয়ার পর অন্যত্র তার বিয়ে হতে হবে এবং ওই স্বামীর সঙ্গে মিলন হওয়া অপরিহার্য।

এরপর কোনো কারণে সে তালাক দিলে কিংবা তার মৃত্যু হলে ইদ্দত পালনের পর দু’জন পরস্পর সম্মত হলে নতুন করে নতুন মোহরের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবেন। (সুরা বাকারা-২৩০)

‘খোলা তালাক’ কাকে বলে?

খোলা হচ্ছে: কোন কিছুর বিনিময়ে স্ত্রী বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া। এক্ষেত্রে স্বামী সে বিনিময়টি গ্রহণ করে স্ত্রীকে বিচ্ছিন্ন করে দিবে; এ বিনিময়টি স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে প্রদত্ত মোহরানা হোক কিংবা এর চেয়ে বেশি সম্পদ হোক কিংবা এর চেয়ে কম হোক।

স্বামীর পক্ষ থেকে যে তালাক দেওয়া হয় সেটাকে তালাক বলা হয়।

আর স্ত্রীর পক্ষ থেকে কাজি বা তার স্থলাভিষিক্ত কারো নিকট তালাক চাওয়ার ভিত্তিতে মালের বিনিময়ে যে বিবাহ বিচ্ছেদ করা হয়, তাকে খোলা বলে।

এর পদ্ধতি হচ্ছে- স্বামী বিনিময় গ্রহণ করবেন কিংবা তারা দুইজন এ বিষয়ে একমত হবেন; এরপর স্বামী তার স্ত্রীকে বলবেন: আমি তোমাকে বিচ্ছিন্ন করে দিলাম কিংবা আমি তোমাকে খোলা তালাক দিলাম, কিংবা এ জাতীয় অন্য কোন শব্দ।

খোলা তালাক যদি স্বামীর দোষের কারণে হয়ে থাকে তাহলে তালাকদাতার জন্য খোলার বিনিময়ে স্ত্রী থেকে কোনো কিছু গ্রহণ করা বৈধ হবে না। আর স্ত্রীর দোষের কারণে হয়ে থাকলে মহর সমপরিমাণ নেওয়া বৈধ হবে। এরচেয়ে বেশি নেওয়া মাকরূহ বা অনুত্তম হবে।

প্রখ্যাত তাবেয়ী ইবরাহীম নাখায়ী রাহ. বলেন, ‘খোলা তালাক যদি নারীর দোষের কারণে হয়ে থাকে তাহলে স্বামীর জন্য তার থেকে যা নিবে তা বৈধ হবে। আর যদি স্বামীর দোষে হয় তাহলে স্ত্রী থেকে যা নিবে তা বৈধ হবে না।’ (মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক, হাদিস ১১৮২৫)

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনিরবি
 
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১ 

ফলো করুন Kishoreganj Post 24-এর খবর

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি
মো. জাভেদ ইকবাল
সম্পাদক ও প্রকাশক
মো. ইমরান হোসেন
ঠিকানা

এই ওয়েবসাইট থেকে লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা দণ্ডনীয় অপরাধ