
নিজস্ব প্রতিবেদক | বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট | ২৩৬ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

ছবি: সংগৃহীত
জনতার মেয়রনামে খ্যাত হাজী ইসরাইল মিয়াকে মেয়র হিসেবে দেখতে চায় কিশোরগঞ্জ পৌরবাসী। শহরের দীর্ঘদিনের যানজট, পানি নিস্কাশন ও দীর্ঘ টেকশই মেয়াদী উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে তিনি অত্যান্ত আশাবাদী। তাই পৌরবাসীর অনুরোধে মেয়র পদে এবারও মনোনয়নপ্রত্যাশী জনতার মেয়র খ্যাত জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ভিপি হাজী ইসরাইল মিঞা।
জানাযায়, বিগত আওয়ামীলীগ আমলের পাতানো নির্বাচনে স্থগিত ওয়ালীনেওয়াজ খান কলেজ কেন্দ্রে হাজী ইসরাইল মিঞার পক্ষের ভোটের ফলাফল লুন্ঠন করে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী পারভেজ মিয়াকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। এ নিয়ে জেলা শহরে ভোটারদের মাঝে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। ফলাফল লুন্ঠনের অভিযোগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে তৎকালীন সময় সংবাদ প্রকাশিত হয়। অভিযোগ রয়েছে তৎকালীন জেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতারা কেন্দ্র দখল করে জাল ভোট মেরে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে বিজয়ী করেন। যা পৌরবাসী মেনে নিতে পারে নি। এরপর থেকেই হাজী ইসরাইল মিঞাকে জনতার মেয়র হিসেবে হৃদয়ে স্থান দেয় পৌরবাসী। তাই পৌরবাসীর প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়রপদে লড়বেন তিনি।
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র প্রার্থী হাজী ইসরাইল মিঞা বলেন,‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমান যে সিদ্ধান্ত নেবেন, যে দ্বায়িত্ব অর্পণ করবেন আমরা কর্মীরা সেটাই মেনে নিয়ে দেশের মানুষের অধিকারের জন্য,কল্যাণের জন্য কাজ করবো ইনশাআল্লাহ।
মো: ইসরাইল মিয়া কিশোরগঞ্জ জেলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ গুরুদয়াল সরকারি কলেজের বিপুল ভোটে বিজয়ী ভিপি ছিলেন তিনি। তার দক্ষতায় গুরুদয়াল সরকারি কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের অনেক দাবী পুরণ করে সুশিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করে কলেজ কর্তৃপক্ষ।কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের মাধ্যমে ছাত্ররাজনীতিতে প্রবেশ করে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের গুরু দ্বায়িত্ব পালন করেন তিনি।

এই ওয়েবসাইট থেকে লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা দণ্ডনীয় অপরাধ