
নিজস্ব প্রতিবেদক | শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট | ২৫৭ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

ছবি: কিশোরগঞ্জ পোস্ট ২৪
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে জমি সংক্রান্ত জেরে মো: নুরুজ্জামান দেওয়ান নামের এক ব্যক্তির বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে তারই আপন ভাইদের বিরুদ্ধে। এ বিষয় ভুক্তভোগী মো: নুরুজ্জামান দেওয়ান বাদী হয়ে ৬জনকে আসামী করে কটিয়াদী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
শুক্রবার ২৮ আগস্ট সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার সহশ্রাম পশ্চিম গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্তরা হলেন, তার সহোদর আপন চার ভাই আসাদুজ্জামান রতন (৪৫), মনিরুজ্জামান (৩৫), শামসুজ্জামান ফুরকান (৫৭), সুরুজ্জামান সুলতান (৫৩), আঁখি আক্তার (৩৫), নাজমুন্নাহার লাভলী (২৮)।
অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, মো: নুরুজ্জামান দেওয়ান ও তাদের চার ভাই ও বোনদের মধ্যে পৈত্তিক সম্পত্তি ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে শুক্রবার ২৮ আগস্ট সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ভুক্তভোগী নুরুজ্জামান দেওয়ান ও তার পরিবার তাদের ব্যক্তিগত কাজে কিশোরগঞ্জ অবস্থান করলে ১নং বিবাদী আসাদুজ্জামান রতন ও তার অন্য ভাইদের নিয়ে ভুক্তভোগী নুরুজ্জামান দেওয়ানের বাড়িঘর ভাংচুর ও ঘরের অন্যান্য আসবাবপত্র লুটপাট করে নিয়ে যায়। এতে প্রায় ১২ লক্ষ ২৬ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন হয়। এ বিষয় ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের দারস্থ হলে শনিবার ৩০ আগস্ট বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয়দের সামনে অন্য ভাইয়েরা তার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তিনি প্রাথমিক অবস্থায় আহত হন।
এ বিষয় ভুক্তভোগী মো: নুরুজ্জামান দেওয়ান বলেন, আমার তিন বোনের ওয়ারিশ সম্পত্তি আমাকে হেবা রেজিস্ট্রি করে দেয়। আমি ২০১৯ সাল থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত খাজনা খারিজ দখলে আছি। এখন আমি জমি বিক্রি করতে গেলে আমার আরো চার ভাই আমাকে দখল না দিয়ে আমাকে খুন জখমের হুমকি দেয়। আমি এখন বাড়ি ছাড়া। বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের দারস্থ হলে তাদের সামনে আমার উপর অতর্কিত হামলা চালায়।
এ বিষয় তারই এক ভাই আসাদুজ্জামান রতন বলেন, আমার মায়ের কাছ থেকে আমার বড় ভাই টিপসই দিয়ে ৫০ লক্ষ টাকার সম্পত্তি হাতিয়ে নিছে। এবং অন্য এক লোকের কাছে জমি বিক্রি করে আমরা জানি না। ঐ জমি নাকি বোনেরা তাকে হেবা দলিল দিছে। এ নিয়ে তার সাথে বিরোধ।
এ বিষয় কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: রফিকুল ইসলাম বলেন, তাদের ভাই বোনদের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বাড়িঘর ভাংচুরের একটি অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই ওয়েবসাইট থেকে লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা দণ্ডনীয় অপরাধ